নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লা ক্ষমতায় এলে ইনসাফের ভিত্তিতে নোয়াখালীর প্রাণের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।”
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নোয়াখালীবাসীর প্রধান দাবি হলো নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা এবং সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা। এছাড়াও হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর এলাকায় নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, কোম্পানীগঞ্জ–ছোট ফেনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ এবং সোনাপুর থেকে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে, তাদের হাতে দেশ গেলে একটি ভালোবাসার রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব। কিন্তু যারা ভালোবাসতে পারেনি এবং বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত, তাদের হাতে জনগণ নিরাপদ নয়।”
জামায়াত আমির দাবি করেন, সারা দেশে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে জনসমর্থনের জোয়ার তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “যুবসমাজ বিশেষ করে জুলাইয়ের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণরা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চায়। তারা ঠিক করে ফেলেছে—আধিপত্যবাদের পক্ষে থাকবে, নাকি মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো মানুষের পক্ষে।”
সভায় তিনি নোয়াখালীর ৬টি আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফেরার আহ্বান জানান।
পরে তিনি নোয়াখালীর ৬ আসনের মধ্যে জামায়াতের চার প্রার্থীর হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা এবং জোটের দুই প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি তুলে দিয়ে তাদের জনসাধারণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।