দুদকের কাঠগড়ায় দুদকেরই সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল

দেশ এডিশন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২ মাস আগে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্রের দুর্নীতিবিরোধী এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক কোনো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এবারই প্রথম।

ইকবাল মাহমুদ তার কর্মজীবনে এক চৌকস আমলার খ্যাতি লাভ করেছিলেন। তিনি একাধিক মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সিনিয়র সচিব হিসেবে চাকরিজীবনের ইতি টানেন। ২০১৬ সালের মার্চে তৎকালীন সরকার তাকে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুদকের কয়েকশ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

সূত্র জানায়, ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বাধীন ওই সময়ে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান ও মো. জহুরুল হকের বিরুদ্ধে সরকারি ফ্ল্যাট ক্রয় সংক্রান্ত ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।

এদিকে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ার পর তা খতিয়ে দেখা হয়। স্বাস্থ্য খাতের মাফিয়াখ্যাত মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু দুদকের মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ইকবাল মাহমুদের দুর্নীতি-সংক্রান্ত কিছু কাজে সহায়তার কথা উল্লেখ করেন।

কমিশন ইতোমধ্যেই তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনুসন্ধানটি দুদকের মানি লন্ডারিং শাখা থেকে পরিচালিত হবে। আজকের মধ্যে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া, ইকবাল মাহমুদের ছোট ভাই সাদিক মাহমুদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

error: Content is protected !!