নির্বাচন ঘিরে সতর্ক বিশ্লেষকরা

প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে নতুন কিছু রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপের মুখে ফেলতে ‘মৌলবাদ’ ইস্যু সামনে আনার চেষ্টা বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দিল্লি-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন এক স্পর্শকাতর পর্যায়ে পৌঁছেছে।

📌 কী কী ঘটনা ঘটছে?

সাম্প্রতিক কয়েক দিনে দিল্লিতে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা আলোচনায় এসেছে—

  • দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন

  • বাংলাদেশে কর্মরত কিছু ভারতীয় কূটনীতিককে দিল্লিতে ফিরিয়ে নেওয়ার খবর

  • বাংলাদেশে ‘ইসলামি উগ্রবাদ’ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা/সেমিনারের আয়োজন

  • এবং সবচেয়ে আলোচিতভাবে, দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে নিয়ে সম্ভাব্য এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি

কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ক্যামেরার সামনে দেখা যেতে পারে—যা নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

 বিশ্লেষকদের মতামত

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—
ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত হতে পারে। পাশাপাশি ইসলামি রাজনৈতিক জোটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়াকে দিল্লি ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’ হিসেবে দেখছে—এমন মতও উঠে এসেছে।

বিশিষ্ট বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এ সময়ে বাংলাদেশের ভেতরে বিভাজন বা উসকানিমূলক ঘটনার ফাঁদে পা না দেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

 বাংলাদেশে করণীয় কী?

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এ সময় সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকা, ঐক্য ধরে রাখা এবং গুজব-অপপ্রচার থেকে দূরে থাকা জরুরি।

error: Content is protected !!