ফেনীতে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে আচ্ছাদিত না থাকলেও রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কনকনে ঠান্ডা। এতে গ্রামীণ জনপদে শীতের প্রকোপ আরও বেড়ে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
পাঠাননগর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রহিম মামুন জানান, “সন্ধ্যার পর তেমন কুয়াশা দেখা না গেলেও রাত যত বাড়ে ঠান্ডা ততই জেঁকে বসে। গরম কাপড়ের অভাবে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।”
সদর উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের এনামুল হক ভূঁইয়া বলেন, শীতের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যে নিম্ন আয়ের মানুষেরা শীতবস্ত্র নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
ফুলগাজী উপজেলার জিএমহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা সৈয়দা খাতুন জানান, “খোয়ার এমন অবস্থা যে বরফহাওয়ায় শিশু ও অসুস্থ–বয়স্কদের কষ্ট বেড়ে গেছে।”
শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় আগুন পোহানো, খড়কুটো জ্বালানো এবং স্বল্প আয়ের মানুষের গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে। স্থানীয়রা জানান, শীতের তীব্রতা আরও কয়েকদিন স্থায়ী হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয়রা শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।