মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের আকাশসীমায় ড্রোন অভিযানে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ফারস প্রদেশের আকাশে ভূপাতিত দুটি ড্রোনের মধ্যে একটি যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ রিপার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্য ড্রোনটি চীনে তৈরি ‘উইং লুং’ সিরিজের হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
জানা গেছে, উইং লুং ধরনের ড্রোন দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে এবং একই সঙ্গে নজরদারি ও হামলা পরিচালনার সক্ষমতা রাখে। এই ধরনের প্রযুক্তি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সামরিক বাহিনীর কাছে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই উপসাগরীয় কোনো দেশের ড্রোন ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে থাকে, তবে তা আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। এতে করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এছাড়া পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সামরিক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, যা বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
অন্যদিকে ইরানি সূত্রের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরেকটি ড্রোন ধ্বংসের ক্ষেত্রেও দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই পরিস্থিতিতে যেকোনো সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত হতে পারে। তাই ভবিষ্যতে কূটনৈতিক তৎপরতা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল রনি, সহ-সম্পাদক: আতাউর রহমান
যোগাযোগ: +𝟖𝟖 𝟎𝟗𝟔𝟗𝟕𝟓𝟎𝟏𝟎𝟏𝟎, বিজ্ঞাপন: +𝟖𝟖 𝟎𝟏𝟔𝟑𝟗 𝟑𝟏𝟑𝟏𝟑𝟏
১২২/৭, ব্লক–ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ।
স্বত্ব © ২০২৬ | দেশ এডিশন