আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব এবার বাংলাদেশের রপ্তানি ও আমদানি বাণিজ্যেও পড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক পরিবহন ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক শিপিং খরচ দ্রুত বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে অনেক কার্গো জাহাজ এখন নিরাপদ জলসীমায় অপেক্ষা করছে। আবার কিছু জাহাজকে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিকল্প ও দীর্ঘ রুট ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে সময় ও ব্যয়—দুইই বাড়ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে বাংকার ফুয়েলের (জাহাজের জ্বালানি) দামও বেড়েছে। একই সঙ্গে যুদ্ধঝুঁকির কারণে সামুদ্রিক বীমা প্রিমিয়াম বৃদ্ধি পাওয়ায় শিপিং খরচ আরও বাড়ছে।
বাংলাদেশে কার্যরত বিভিন্ন শিপিং লাইন ইতোমধ্যে কনটেইনার ডিটেনশন চার্জ প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি জরুরি জ্বালানি সারচার্জ (Emergency Fuel Surcharge - EFS) আরোপ করা হয়েছে, যা আমদানি-রপ্তানি খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং আন্তর্জাতিক চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে এমনিতেই তারা চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছেন। তার ওপর নতুন করে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, শিপিং খরচ বাড়তে থাকলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে পড়তে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা দ্রুত নীতিগত সহায়তা এবং লজিস্টিক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
— ডেস্ক রিপোর্ট | দেশ এডিশন
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল রনি, সহ-সম্পাদক: আতাউর রহমান
যোগাযোগ: +𝟖𝟖 𝟎𝟗𝟔𝟗𝟕𝟓𝟎𝟏𝟎𝟏𝟎, বিজ্ঞাপন: +𝟖𝟖 𝟎𝟏𝟔𝟑𝟗 𝟑𝟏𝟑𝟏𝟑𝟏
১২২/৭, ব্লক–ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ।
স্বত্ব © ২০২৬ | দেশ এডিশন