গত এক বছরে বাংলাদেশি টাকা ও পাকিস্তানি রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে ভারতীয় রুপি। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ কমে যাওয়াকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে মাসে এক ভারতীয় রুপির মূল্য ছিল প্রায় ৩ দশমিক ২৯ পাকিস্তানি রুপি। ২০২৬ সালের মে মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৯০ পাকিস্তানি রুপিতে। অর্থাৎ এক বছরে পাকিস্তানি রুপির বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান কমেছে প্রায় ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
একই সময়ে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতেও ভারতীয় রুপির দরপতন দেখা গেছে। গত এক বছরে প্রতি ভারতীয় রুপির বিনিময়হার প্রায় ১ দশমিক ৪২ টাকা থেকে কমে ১ দশমিক ২৮ টাকায় নেমে এসেছে। এতে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে রুপির মান কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ভারতের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। যেহেতু দেশটি জ্বালানি আমদানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাই বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও বেড়েছে।
এছাড়া বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সুদহার বৃদ্ধির কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উদীয়মান অর্থনীতি থেকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। এতে ভারতের মতো অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমে রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রুপির দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে বিদেশে পড়াশোনা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, আমদানি পণ্য এবং বৈদেশিক ব্যবসায়িক ব্যয় বাড়তে পারে। পাশাপাশি ভারতের চলতি হিসাবের ঘাটতিতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফেসবুক ক্যাপশন
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল রনি, সহ-সম্পাদক: আতাউর রহমান
যোগাযোগ: +𝟖𝟖 𝟎𝟗𝟔𝟗𝟕𝟓𝟎𝟏𝟎𝟏𝟎, বিজ্ঞাপন: +𝟖𝟖 𝟎𝟏𝟔𝟑𝟗 𝟑𝟏𝟑𝟏𝟑𝟏
১২২/৭, ব্লক–ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ।
স্বত্ব © ২০২৬ | দেশ এডিশন