সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ, আনোয়ারায় উৎসবের আমেজ

রুপন দত্ত, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে


সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বুধবার চট্টগ্রামের আনোয়ারাসহ জেলার শতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়েছে। সকালে বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে পশু কোরবানি দেন মুসল্লিরা।

বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে বৃহস্পতিবার। তবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্‌যাপন করে আসছেন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ ও আনোয়ারাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের অনুসারীরা রয়েছেন।

মির্জাখীল দরবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল আটটার দিকে আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে বরুমচড়া, হেটিখাইন, বাঁশখালীর কালীপুর ও চাম্বল এলাকাতেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড় ও বাজালিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে মির্জাখীল দরবার শরিফের মূল খানকাহ মাঠে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।

আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানি দেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, “আমরা প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে হজের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করি। তাই আজ ঈদের নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানি দিয়েছি।”

ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, “হানাফি মাযহাবের অনুসারী হিসেবে গত দুই শতাধিক বছর ধরে দরবারের অনুসারীরা হজের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। চাঁদের অবস্থান ও হজের তথ্য নিশ্চিত হয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”

error: Content is protected !!