পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে সার আমদানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেশের কৃষি খাতে সম্ভাব্য প্রভাব এড়াতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির উদ্যোগ জোরদার করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয়। আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের মোট সারের চাহিদা প্রায় ৬৭.৭২ লাখ টন। এর মধ্যে ইউরিয়ার চাহিদা ২৬.২২ লাখ টন, ডিএপি ১৩.৫৬ লাখ টন, টিএসপি ৯.০২ লাখ টন, এমওপি ৯.৭০ লাখ টন এবং অন্যান্য সারের চাহিদা ৯.২১ লাখ টন।
বর্তমানে দেশে মোট সারের মজুদ রয়েছে প্রায় ১৫.৩৪ লাখ টন। এর মধ্যে ইউরিয়া ৩.৫৮ লাখ টন, ডিএপি ৫.০৯ লাখ টন, টিএসপি ৩.৬৬ লাখ টন এবং এমওপি ২.৯৯ লাখ টন মজুদ রয়েছে বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য থেকে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম বাড়তে পারে। এতে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সময়মতো সার সংগ্রহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে সরকার বিকল্প দেশ থেকে সার আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে দেশে বিদ্যমান মজুদ ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া গেলে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
For more news visit: www.deshedition.com
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল রনি, সহ-সম্পাদক: আতাউর রহমান
যোগাযোগ: +𝟖𝟖 𝟎𝟗𝟔𝟗𝟕𝟓𝟎𝟏𝟎𝟏𝟎, বিজ্ঞাপন: +𝟖𝟖 𝟎𝟏𝟔𝟑𝟗 𝟑𝟏𝟑𝟏𝟑𝟏
১২২/৭, ব্লক–ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ।
স্বত্ব © ২০২৬ | দেশ এডিশন