ঈদে ঢাকা ছাড়বে দেড় কোটি মানুষ, নিরাপদ যাত্রায় সরকারের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত

স্টাফ রিপোর্টার | দেশ এডিশন
প্রকাশ: ১২ ঘন্টা আগে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, হাইওয়ে পুলিশের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সারা দেশে যানজটের ঝুঁকিতে থাকা ২০৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকার সদরঘাট, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনালে সিসিটিভি ও সার্চলাইট স্থাপন করে বিআরটিএ ও পুলিশের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যাতে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিস্থিতি মনিটরিং করা যায়।

তিনি বলেন, যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিআরটিএ, পুলিশ, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল করা হবে।

এছাড়া বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং চুরি, ছিনতাই, পকেটমার, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ঈদের দিনসহ ঈদের আগের তিনদিন ও পরের তিনদিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পচনশীল ও জরুরি ভোগ্যপণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি থাকবে।

ঈদ উপলক্ষে সিএনজি ও ফিলিং স্টেশনগুলো ঈদের দিনসহ আগের সাতদিন এবং পরবর্তী পাঁচদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে পর্যায়ক্রমে ছুটির ব্যবস্থা করার জন্য মালিকপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে একসঙ্গে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ তৈরি না হয়।

error: Content is protected !!