দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এস আলম গ্রুপ নামে-বেনামে এক লাখ কোটি টাকার বেশি অর্থ উত্তোলন করে। সরকারের পতনের পর গ্রুপটি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ হারালে এসব ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হয়। এর আগে দেশে-বিদেশে তাদের শত শত ব্যাংক হিসাব, শেয়ার ও জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
অভিযুক্ত অপর দুই ভাই হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ এবং পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এস আলম গ্রুপ নামে-বেনামে ব্যাংক থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি অর্থ উত্তোলন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রুপটি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ হারায়। বর্তমানে এসব ঋণ একে একে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে এবং নিলামে তোলা হচ্ছে।
এর আগে এস আলম পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের নির্দেশ দেন আদালত। শুধু সিঙ্গাপুরেই তাদের নামে থাকা ৬৪টি ব্যাংক হিসাব ও ১০টি কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ও জার্সিতে থাকা একাধিক শেয়ার ও ট্রাস্ট কোম্পানির সম্পদও অবরুদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশে এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের শত শত বিঘা জমি, হাজারেরও বেশি ব্যাংক হিসাব এবং হাজার কোটি টাকার শেয়ার ইতিমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। আদালতের এসব আদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংকট আরও গভীর হয়েছে।