গুপ্ত তকমা নিয়ে পাল্টা জবাব জামায়াত আমিরের

প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতি একসময় কল্পনাও করেনি যে “ফ্যাসিস্টরা অপদস্ত হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে” এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি দাবি করেন, দেশ দীর্ঘ সময় “ছোপ ছোপ রক্ত ও সারি সারি লাশের” পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত সাড়ে ১৫ বছর যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তারাই দেশের ব্যাংক খাত ও শেয়ারবাজার লুট করেছে, জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করেছে এবং দেশকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। তার ভাষায়, “যারা দেশকে ভালোবাসে তারা মানুষকে শান্তি দিতে চায়, আর যারা ভালোবাসে না তারা মানুষকে কষ্ট দেয়।”

দলীয় নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, তাদের শীর্ষ ১১ জন নেতাকে মিথ্যা অভিযোগে হত্যা করা হয়েছে। দলের সব কার্যালয় প্রায় সাড়ে ১৩ বছর বন্ধ রাখা হয় এবং এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এছাড়া নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর, দলীয় প্রতীক কেড়ে নেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত দলকে নিষিদ্ধ করার কথাও উল্লেখ করেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জুলাই না হলে ২৬ সালের নির্বাচন কিসের?” তার দাবি, জুলাইয়ের আন্দোলন ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান না দেখিয়ে নির্বাচন নিয়ে কথা বলা যুক্তিযুক্ত নয়। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য হলো দেশকে দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত করা, নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়া এবং ভবিষ্যতে ব্যাংক ডাকাতি ও শেয়ারবাজার লুটের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো।

তার এই বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

error: Content is protected !!