আমার নির্দেশ পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত

দেশ এডিশন | নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২ মাস আগে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। একই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মির্জা আব্বাস বলেন, এই হামলা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর নয়, এটি গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশটি হাদিকে গুলি করার ঘটনার প্রতিবাদ ও হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজন করা হয়।

মির্জা আব্বাস বলেন, হাসপাতালে যারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, তারা হাদির সমর্থক নয়; তারা অন্য একটি রাজনৈতিক দলের লোক। আমি শান্ত ছিলাম বলেই হাদির চিকিৎসা ব্যাহত হয়নি, আমার নির্দেশ পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত। তিনি দাবি করেন, ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “হাদি আমার সন্তানের মতো। তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। যারা এই হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ও রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “আমরা অতীতেও ষড়যন্ত্র দেখেছি। এরা স্থিতিশীল রাষ্ট্র সহ্য করতে পারে না।”

হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

তিনি দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার পেছনের ষড়যন্ত্র উন্মোচনের দাবি জানিয়ে বলেন, “হাদি আমার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সে একজন প্রতিযোগী। তাকে আবারও সক্রিয়ভাবে নির্বাচনি মাঠে দেখতে চাই।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাসহ অন্যান্য নেতারা।

error: Content is protected !!