দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে কোচিং নির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই সহায়ক পাঠদান কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের যে বিষয়ে দুর্বলতা রয়েছে, সেই বিষয়গুলোতে স্কুলেই অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আলাদা কোচিংয়ের ওপর কম নির্ভরশীল হবে এবং বিদ্যালয়েই প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে।
এছাড়া পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নকল প্রতিরোধে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
শিক্ষার মান উন্নয়নে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, আধুনিক আইন প্রণয়ন এবং নতুন ধরনের অসদুপায় প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, একটি মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তারা সততা ও শৃঙ্খলাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যালয়ভিত্তিক সহায়ক শিক্ষা কার্যক্রম চালু হলে শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ বাড়বে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।