রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় খেতেই পড়ে আছে বিপুল পরিমাণ তরমুজ। বাজারে চাহিদা থাকলেও পাইকারি দামের পতনের কারণে আর্থিক চাপে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজের চাষ হয়েছে এবং ফলনও হয়েছে সন্তোষজনক। কিন্তু উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর কম থাকায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেক কৃষক কম দামে বিক্রি না করে তরমুজ খেতেই রেখে দিচ্ছেন।
কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি তরমুজ উৎপাদনে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা, অথচ পাইকাররা কিনতে চাইছেন ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। এতে করে প্রতিটি তরমুজেই লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া পরিবহন সংকট এবং কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনার অভাব পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।
একজন কৃষক বলেন, “অনেক আশা নিয়ে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে বিক্রি করলে খরচই উঠছে না। তাই অনেক তরমুজ খেতেই পড়ে আছে।”
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। দূরবর্তী জেলায় পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় তারাও সতর্কভাবে পণ্য কিনছেন।
এ পরিস্থিতিতে কৃষকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাদের মতে, সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সহজ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।
দেশ এডিশন | www.deshedition.com