রাজনীতিতে দ্ব্যর্থহীন অবস্থান ও পরিষ্কার বার্তা তুলে ধরতে এবারের নির্বাচনি ইশতেহার ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইশতেহারের মূল কাঠামো সাজানো হয়েছে— ‘৫টিতে হ্যাঁ’ এবং ‘৫টিতে না’—এই দুই ভাগে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। সূচনাতেই দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোন বিষয়ে তারা স্পষ্ট সমর্থন জানায় এবং কোন বিষয়ে আপসহীন— সেটি পরিষ্কারভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরাই এ কাঠামোর লক্ষ্য।
‘৫টিতে হ্যাঁ’
ইশতেহারের ইতিবাচক অংশে যে বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে:
-
সততা
-
ঐক্য
-
ইনসাফ
-
দক্ষতা
-
কর্মসংস্থান
দলটির দাবি, রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, সুশাসন ও যোগ্যতাভিত্তিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এ অংশের মূল প্রতিশ্রুতি।
‘৫টিতে না’
অন্যদিকে নেতিবাচক চর্চার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে ‘না’ অংশে। সেগুলো হলো:
-
দুর্নীতি
-
ফ্যাসিবাদ
-
আধিপত্যবাদ
-
বেকারত্ব
-
চাঁদাবাজি
দলীয় নেতারা বলেন, এসব প্রবণতার বিরুদ্ধে আপসহীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অবস্থানই তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ভিত্তি।
মঞ্চসজ্জাতেও প্রতিফলন
সরেজমিনে দেখা গেছে, ইশতেহার ঘোষণার মঞ্চও সাজানো হয়েছে ‘হ্যাঁ-না’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। ভিজ্যুয়াল ডিজাইন, রঙ ও প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ইশতেহারের দর্শনকে দৃশ্যমানভাবে উপস্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে দলটির রাজনৈতিক বার্তা আরও প্রতীকী ও সহজবোধ্যভাবে জনগণের কাছে পৌঁছাবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, স্পষ্ট অবস্থানভিত্তিক এ ধরনের উপস্থাপনা ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছাতে কার্যকর হতে পারে এবং নির্বাচনি প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
