জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফেরার ঘোষণা: ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ হবে মূলমন্ত্র

কূটনৈতিক রিপোর্টার | দেশ এডিশন:
প্রকাশ: ১৯ ঘন্টা আগে

খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে। তিনি জানান, বর্তমান সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পররাষ্ট্রনীতির ধারায় ফিরে যেতে চায়।

বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সফররত নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা-র সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

জাতীয় স্বার্থই ‘রেডলাইন’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধা। প্রতিটি কূটনৈতিক পদক্ষেপে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—এটাই সরকারের ‘রেডলাইন’। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন ভাষণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির কথা বলেছেন, যা নতুন পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু।

ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে ধরলেন মন্ত্রী
খলিলুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়া ছিল একটি সাহসী পদক্ষেপ। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে সার্ক প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভূমিকা ছিল সেই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তার মতে, বাংলাদেশ তার সামর্থ্য অনুযায়ী বৈশ্বিক পরিসরে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি; বর্তমান সরকার সেই অবস্থানে ফিরে যেতে চায়।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আশাবাদ
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার পরিস্থিতির ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের প্রচেষ্টা চলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণমাধ্যমের প্রতি বার্তা
গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ভুল তথ্য বা গুজব পারস্পরিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই তথ্য প্রকাশে সতর্কতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

error: Content is protected !!