মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টোর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্বে জুলফিকার আলী ভুট্টোকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং দলের প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়—ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হলো এবং এখন থেকে তিনি দলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে সব সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। একইসঙ্গে দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
জুলফিকার আলী ভুট্টো গাংনী উপজেলায় পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে মেহেরপুর জেলা ও গাংনী উপজেলা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে। স্থানীয় নেতারা বলছেন, তার প্রত্যাবর্তনে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জুলফিকার আলী ভুট্টো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, “শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থাকবো।”