কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর এলাকা থেকে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চার দিন ধরে অপহরণ করে নিয়ে গেছে দুই রোহিঙ্গা অটো চালক। প্রধান অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাত নামে এক রোহিঙ্গা যুবক এবং তার সহযোগী নাঈম এই অপহরণের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
অপহৃত শিক্ষার্থী (ছদ্মনাম) রিমা (১২) বাহারছড়া শামলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। তার রোল নম্বর ২। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইয়াসিন আরাফাত দীর্ঘদিন ধরে শামলাপুর বাজার এলাকায় বসবাস করছে। সে অটোরিকশা চালানোর আড়ালে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে প্রতারণা, অপহরণ ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাতের পিতা মালয়েশিয়া প্রবাসী আমান উল্লাহ এবং মাতা মরিয়াম। তাদের বসবাস উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-সিক্স ব্লকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াসিনসহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা অটো চালক নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের প্রলুব্ধ করে, কৌশলে সম্পর্ক তৈরি করে, এরপর অপহরণ, জিম্মি, এমনকি যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে।
সাধারণ মানুষ জানান, এসব রোহিঙ্গা অটো চালকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা ইচ্ছেমতো যান চালায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির তোয়াক্কা করে না। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, এখনই যদি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও রোহিঙ্গাদের অবৈধ যানচালনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে।