ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। গেজেট অনুযায়ী, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে বিএনপি জোট এবং ১৩টি আসন জামায়াত জোট—এমন তথ্য জানিয়েছে কমিশন।
ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নবীন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে মনোযোগী রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এক্ষেত্রে ত্যাগী, পরীক্ষিত ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মূল দল ও মহিলা দলের পাশাপাশি অতীত ও বর্তমান ছাত্রদল করা সিনিয়র নারী নেত্রীরাও আলোচনায় রয়েছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব, কুমিল্লার কৃতি সন্তান মাকসুদা রিমা।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মাকসুদা রিমা ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আন্দোলন, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং কেন্দ্র ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে তিনি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
এ বিষয়ে মাকসুদা রিমা বলেন, “বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে আমি রাজপথে ছিলাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-০২ (হোমনা-তিতাস) আসনে এমপি প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম, তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারিনি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দল ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবো।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির ভেতরে তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নারী নেত্রীদের নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।