ত্রয়োদশ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নয় — ২০ নভেম্বর রায় দেবেন আপিল বিভাগ

দেশ এডিশন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানো নিয়ে চলমান আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২০ নভেম্বর

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ টানা ১০ দিন শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস. এম. ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন,

“সংবিধানে বলা আছে সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা। কিন্তু বর্তমান সংসদ এক বছর আগে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাই ত্রয়োদশ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হবে। আমরা আশা করছি, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।”

রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ড. শরীফ ভূঁইয়া, বিএনপির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীনব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। এছাড়া ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক

দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার রায়ের দিকে এখন সারা দেশের নজর। রায় ঘোষণা করবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার ভবিষ্যৎ, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

error: Content is protected !!