বরকতময় শুক্রবার: ইবাদত, ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বন্ধন দৃঢ় করে

দেশ এডিশন | ইসলামিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২ মাস আগে

ইসলামে শুক্রবারের দিনটি বিশেষ মর্যাদা ও তাৎপর্যের অধিকারী। মুসলমানদের সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনকে ‘জুমার দিন’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা ইবাদত, ঐক্য ও নৈতিক উন্নতির প্রতীক। ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুসলমানদের সামাজিক–আধ্যাত্মিক জীবনে শুক্রবারের ভূমিকা অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যময়।

ধর্মবিশারদদের মতে, শুক্রবারকে বরকতময় দিন বলা হয় কারণ এই দিনে মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক জুমার নামাজ আদায় করা হয়। এতে পুরো সমাজ একত্রিত হয়, মানুষ একে অপরের খোঁজখবর নেয় এবং শান্তি–সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। সপ্তাহব্যাপী কাজের ব্যস্ততার পরে আধ্যাত্মিক চেতনায় নবজাগরণ হয় এই দিনে।

ইসলামি শিক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই দিনে বিশেষ দোয়া, ইস্তেগফার, দান–সাদকা ও সুরা কাহফ তিলাওয়াতের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় আলেমরা বলেন, শুক্রবারের একটি বিশেষ সময়কে “দোয়ায় কবুলের সময়” বলা হয়, যা মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

এ ছাড়াও শুক্রবারকে পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জোরদার করার দিন হিসেবেও দেখা হয়। সপ্তাহের এই দিনটিতে পারিবারিক সমাবেশ, নৈতিক আলোচনা ও কল্যাণমূলক কাজের প্রতি উৎসাহ দেন আলেমরা।

ধর্মবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিকতা ধরে রাখতে জুমার দিনের গুরুত্ব নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে এই দিনের প্রভাব ইতিবাচকভাবে কাজ করে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

error: Content is protected !!