শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী উপজেলায় সাব-মার্সিবল পাম্প বসানোর জন্য বোরিং করলেই বেরিয়ে আসছে প্রাকৃতিক গ্যাস। একে একে তিন স্থানে বোরিং করার পরও একই ফলাফল মিলেছে। ফলে নিরাপত্তার কারণে খাবার পানির জন্য সাব-মার্সিবল বোরিং চতুর্থবারের মতো স্থানান্তর করতে বাধ্য হন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাটির ভূগর্ভে বোরিং করার সময় হঠাৎ গ্যাসের প্রবল চাপ বেরিয়ে আসছে। দেশলাইয়ের আগুন ধরালে তাতে দেখা যাচ্ছে জ্বলন্ত শিখা— যা প্রমাণ করছে এটি দাহ্য গ্যাস, অর্থাৎ প্রাকৃতিক গ্যাসই হতে পারে।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। অনেকেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমাচ্ছেন গ্যাস জ্বলার দৃশ্য দেখার জন্য। স্থানীয়রা বিষয়টি প্রশাসন ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,
“আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম এটি হয়তো কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি। কিন্তু একের পর এক তিন জায়গায় একইভাবে গ্যাস বের হতে দেখে সবাই অবাক।”
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান,
“বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে পেট্রোবাংলা বা জিওলজিক্যাল সার্ভে টিম পাঠানো হবে।”
ভূতাত্ত্বিকদের মতে, নালিতাবাড়ীসহ ময়মনসিংহ ও শেরপুরের কিছু এলাকায় গ্যাসের সম্ভাবনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল। এবার মাঠ পর্যায়ে এমন বাস্তব চিত্র পাওয়া সেই সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।