আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ, যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা মোঃ আবু সুফিয়ান। তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের রাজনীতির পথচলা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। তিনি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং পরবর্তীতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কঠিন সময়ে তিনি রাজপথে ছিলেন আপসহীন। বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এক বছরেরও বেশি সময় কারাবরণ করেছেন। রিমান্ডে থেকেছেন দিনের পর দিন। দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি দলে নিজ অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনের বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলেন। কারা নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্তদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন। পাশাপাশি ঈদ, পূজা ও সামাজিক উৎসবগুলোতে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।
বন্যার সময় তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তরুণ প্রজন্মের মাঝে তিনি ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতিতে তার অন্যতম শক্তি হলো— ক্লিন ইমেজ, শ্রুতিমধুর বক্তব্য, বিনয়ী আচরণ এবং তৃণমূলের প্রতি আন্তরিকতা। এলাকাবাসীর মতে, আবু সুফিয়ানকে যদি বিএনপি “ধানের শীষ” প্রতীক প্রদান করে, তবে তা হবে তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করার এক সাহসী পদক্ষেপ।
অর্থ ও প্রভাবের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে শিক্ষিত, আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন— এমন দাবি উঠেছে নকলা–নালিতাবাড়ীর সাধারণ ভোটার ও কর্মীদের মুখে মুখে।
সব মিলিয়ে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে মোঃ আবু সুফিয়ানই একজন গুরুত্বপূর্ণ, তরুণ ও জনপ্রিয় প্রার্থী, যিনি রাজনীতি সচেতন জনগণের কাছে ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।