জাতীয় সংসদকে দেশের সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদকে কার্যকর ও প্রাণবন্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আজকের এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।” তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ করে বলেন, সংসদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে স্পিকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান।
এর আগে সকাল ১১টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন এবং কখনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি।
পাশাপাশি সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, তিনি দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলাই বিএনপির লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় তাঁর দল।
তিনি বলেন, “স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না।” এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।