রমজান মাসে রোজাদারের জন্য সময়মতো ইফতার করা শুধু সুন্নতই নয়, বরং এতে রয়েছে অসংখ্য ফজিলত ও কল্যাণ। ইসলামি শরিয়তে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং অযথা দেরি করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
কেন সময়মতো ইফতার গুরুত্বপূর্ণ
ইসলামি আলেমরা বলেন, সময়মতো ইফতার করা আল্লাহর নির্দেশ ও রাসুলের সুন্নতের অনুসরণ। এতে বান্দার আনুগত্য প্রকাশ পায় এবং রোজার পূর্ণ সওয়াব অর্জিত হয়।
সময়মতো ইফতার করার ফজিলত
সুন্নত পালন: সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা রাসুল (সা.)-এর নিয়ম।
দোয়া কবুলের সময়: ইফতারের মুহূর্তটি দোয়া কবুলের বিশেষ সময় হিসেবে গণ্য।
বরকত ও রহমত: তাড়াতাড়ি ইফতারে রোজাদারের জীবনে বরকত নেমে আসে।
কষ্ট লাঘব: দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পর দ্রুত ইফতার শরীর ও মনে স্বস্তি আনে।
উম্মতের ঐক্য: একই সময়ে ইফতার মুসলিম সমাজে শৃঙ্খলা ও ঐক্য জোরদার করে।
ইফতারের সময় আজান শোনা মাত্র খেজুর বা পানি দিয়ে রোজা ভাঙা উত্তম। এরপর সংক্ষিপ্ত দোয়া পড়ে নামাজ আদায় ও ইফতার সম্পন্ন করা সুন্নত অনুযায়ী সর্বোত্তম পদ্ধতি।
সময়মতো ইফতার করা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। রমজানের প্রতিটি দিনে এই সুন্নত পালন করলে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভের আশা করা যায়।