২ লাখ কোটি টাকার জাল নোট প্রবেশের অভিযোগে নতুন আলোচনায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নড়বড়ে করার এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ সামনে এনেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন— পার্শ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা সমপরিমাণ জাল নোট বাংলাদেশের বাজারে ঢোকানো হচ্ছে।

তার অভিযোগ অনুযায়ী, এসব জাল নোট এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে খালি চোখে তো বটেই, এমনকি ব‍্যাংকের যাচাই মেশিনও সহজে শনাক্ত করতে পারবে না। কারণ, ব্যবহৃত কাগজ, নিরাপত্তা সুতার ছাপ এবং হলোগ্রামের প্রিন্ট— সবই মূল নোটের মতো নিখুঁতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তবে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়বে। বাজারে অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি, আমদানি-রপ্তানিতে বিশৃঙ্খলা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ধ্বসে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অথচ এ ধরনের অভিযোগে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

জনমনে প্রশ্ন জেগেছে— এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কি দ্রুত কোনো তদন্ত হবে, নাকি এটিও চেপে যাওয়া হবে অন্যান্য ইস্যুর মতো?

  • #deshedition
  • #দেশএডিশন
  • error: Content is protected !!