চাঁদপুর-১ আসনে ধানের শীষে লড়ছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন

মোঃ আলাউদ্দিন মিয়াজী, কচুয়া করেসপন্ডেন্ট (চাঁদপুর) │ দেশ এডিশন
প্রকাশ: ১ মাস আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, যেসব আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি সেগুলো পর্যায়ক্রমে জানানো হবে এবং কিছু আসন জোট শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পরিচিত। তবে চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ড. এহসানুল হক মিলন এই আসন থেকে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেজবাহ উদ্দিনকে পরাজিত করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার সংসদে যান এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নকলবিরোধী কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। তার উদ্যোগে পরীক্ষার হলে নকলের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিজয়ী হতে পারেননি। এছাড়া ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেলেও দলীয় কৌশলগত কারণে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন না।

দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরতির পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও সক্রিয়ভাবে মাঠে নামছেন ড. মিলন। তার ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের আশা, এবারও কচুয়ার ভোটাররা ধানের শীষের পক্ষেই রায় দেবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. এহসানুল হক মিলনের প্রত্যাবর্তন চাঁদপুর অঞ্চলে বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন গতি ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।

error: Content is protected !!