তারুণ্যের শক্তি দেখেছে দেশ, নেতৃত্বেও চাই নতুন মুখ

ডেস্ক রিপোর্ট | দেশ এডিশন
প্রকাশ: ৬ দিন আগে

গত জুলাই মাসে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা নতুন প্রজন্মের শক্তি ও সচেতনতার এক স্পষ্ট বার্তা বহন করছে। বিভিন্ন ইস্যুতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সংগঠিত অবস্থান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তারুণ্য একটি বড় নিয়ামক শক্তি হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা, দলীয় সংকীর্ণতা ও আস্থার সংকটের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মাঝে বিকল্প নেতৃত্বের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এখন রাষ্ট্র সংস্কার, জবাবদিহিতা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং ইনসাফভিত্তিক শাসনব্যবস্থার দাবি জোরালোভাবে তুলছে।

তরুণদের একাংশের মতে, কেবল পুরোনো ধ্যানধারণার রাজনীতি দিয়ে বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। প্রযুক্তি–নির্ভর সুশাসন, শিক্ষাবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নতুন চিন্তাধারার রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। তারা মনে করেন, নেতৃত্বে প্রজন্মগত পরিবর্তন এলে নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের অংশগ্রহণ কেবল ভোটার হিসেবে নয়, নীতি নির্ধারক ও নেতৃত্বের স্তরেও বাড়াতে হবে। তরুণ নেতৃত্বের বিকাশের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।

সচেতন মহলের অভিমত, রাষ্ট্র সংস্কার ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে তরুণদের উদ্যম, সাহস ও নৈতিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সময়ই বলে দেবে—এই তারুণ্যের শক্তি আগামী দিনের রাজনৈতিক মানচিত্র কতটা বদলে দিতে পারে।

error: Content is protected !!