ইসলাম শুধু ইবাদত বা নামাজ-রোজার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইসলাম দিকনির্দেশনা দিয়েছে—এর মধ্যে দাম্পত্য জীবন অন্যতম। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে ইসলাম একটি পবিত্র চুক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে, যেখানে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্মান প্রধান ভিত্তি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলামিক আদর্শ মেনে চললে দাম্পত্য জীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা হয়। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্যতম হলো—তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও; এবং তিনি তোমাদের মাঝে ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন।” (সূরা রূম: ২১)
ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেন, স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উচিত একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা, রাগ-অভিমান না বাড়িয়ে বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা এবং একে অপরের মর্যাদা রক্ষা করা। ইসলাম শেখায়—স্বামী যেন স্ত্রীর প্রতি দয়া ও সৌজন্য দেখায়, আর স্ত্রী যেন স্বামীর প্রতি আনুগত্য ও সম্মান প্রদর্শন করে।
আধুনিক সমাজে পারিবারিক ভাঙনের অন্যতম কারণ হচ্ছে ইসলামিক আদর্শ থেকে বিচ্যুতি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যদি প্রত্যেক মুসলিম পরিবার নবী করিম (সা.)-এর দেখানো দাম্পত্য জীবনের আদর্শ অনুসরণ করে, তবে পারিবারিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
📖 দাম্পত্য জীবনে ইসলামিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনা আজ সময়ের দাবি। কারণ, ইসলামী আদর্শই পারে দাম্পত্য জীবনে স্থায়ী সুখ ও শান্তির নিশ্চয়তা দিতে।