ফ্রান্সের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লকর্নু দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় হঠাৎ করেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এলিসি প্রাসাদ সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ইতোমধ্যে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
লকর্নু গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তাঁর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকেই নীতিগত মতপার্থক্য, মন্ত্রিসভার ভেতরে বিভাজন ও অর্থনৈতিক সংকট ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার অভিযোগে তার ওপর চাপ বাড়তে থাকে।
ফরাসি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বাজেট প্রস্তাব নিয়ে মাখোঁ ও লকর্নুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। সেই প্রেক্ষিতেই লকর্নু পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট মাখোঁর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, অস্থায়ীভাবে সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন উপ-প্রধানমন্ত্রী অড্রে আজুলে।
তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফ্রান্সের ইতিহাসে এত দ্রুত একজন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বিরল ঘটনা। এ পদত্যাগ মাখোঁ সরকারের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও নীতিগত টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, লকর্নু শিগগিরই গণমাধ্যমের সামনে নিজের পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করবেন।