প্রথমবারের মতো পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে শিপিং সেবা চালু হয়েছে। এতে পণ্য পরিবহনের সময় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ব্যবসায়িক যোগাযোগে এটি এক বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জাতীয় সংসদে জমা দেওয়া একটি লিখিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হওয়া এক চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন চাল রপ্তানি করেছে এবং মোট ২ লাখ টন চাল রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, আগামী মাসগুলোতেও এই কাঠামোর অধীনে চাল রপ্তানি অব্যাহত থাকবে।
লিখিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও ডেনিম এক্সপোতে পাকিস্তানের দুই শতাধিক কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও উৎপাদন খাতে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রমাণ। এছাড়া, সামুদ্রিক যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশ এখন সরাসরি আকাশপথ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পাকিস্তানের দুটি বেসরকারি বিমান সংস্থাকে ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ফ্লাইট চালু হলে ব্যবসা ও পর্যটন—উভয় ক্ষেত্রেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে।