বিশ্বনেতাদের অভিনন্দনে ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশ এডিশন | বিশেষ প্রতিবেদন:
প্রকাশ: ২১ ঘন্টা আগে

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিশ্বনেতাদের অভিনন্দনে সিক্ত হয়েছেন তারেক রহমান। ভারত, চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক অভিনন্দন বার্তায় সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ রাখেন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এক পৃথক বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের এবং পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তিনি বেল্ট অ্যান্ড রোডসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশকে জাপানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা জানান। তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতিকে স্বাগত জানানোর কথাও বলেন।

এদিকে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জো, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

শপথ অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জো। বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, উচ্চশিক্ষা এবং বিমান যোগাযোগসহ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

পরে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে নরেন্দ্র মোদির পাঠানো ব্যক্তিগত অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। চিঠিতে শুভেচ্ছার পাশাপাশি দ্রুততম সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বিশ্বনেতাদের এই শুভেচ্ছা ও অংশগ্রহণকে নতুন সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

error: Content is protected !!