গরমে বাড়ছে লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চরম কাঠামোগত দুর্বলতা

দেশ এডিশন ডেস্ক:
প্রকাশ: ৩ ঘন্টা আগে

তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় জনভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও শহরাঞ্চলে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয়, গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তবে সরকারি তথ্য-উপাত্তে এই ভোগান্তির পূর্ণ চিত্র প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো প্রকৃত চাহিদার তুলনায় কম চাহিদা দেখিয়ে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কম দেখানোর চেষ্টা করছে। এতে করে বাস্তব পরিস্থিতি ও সরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে।
প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাসে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে যায়। তবে চলতি বছর জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও চাপের মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এদিকে আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, এই সময়ে দেশে মোট ছয় থেকে আটটি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে তিন থেকে চারটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। ফলে তাপমাত্রা না কমা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির সম্ভাবনা কম বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
শেষ কথা:
গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকটও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাস্তব চিত্র ও পরিসংখ্যানের পার্থক্য দূর না হলে জনভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

error: Content is protected !!