ঘরে বসেই আয়ের নতুন মাধ্যম: শিখুন GA4 ডাটা ট্র্যাকিং

আজমিরা খানম :
প্রকাশ: ৪৯ minutes ago

প্রথাবদ্ধ ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিন পেরিয়ে দেশের আইটি সেক্টরে এখন নতুন ক্রেজ ‘গুগল অ্যানালিটিক্স ৪’ বা GA4। গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসে ডাটা অ্যানালিটিক্স ও কনভার্সন ট্র্যাকিংয়ের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের তরুণদের কাছে এটি ঘরে বসেই আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যারা প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এই সেক্টরটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে অনলাইন কেনাকাটা বা ই-কমার্স ব্যবসার পরিধি যত বাড়ছে, ওয়েবসাইটের নিখুঁত ডাটা বা তথ্যের প্রয়োজনীয়তাও তত জরুরি হয়ে পড়ছে। একটি ওয়েবসাইটে প্রতিদিন কতজন ভিজিটর আসছেন, তারা কী পণ্য কিনছেন এবং কোন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আসছেন—তা নিখুঁতভাবে ট্র্যাকিং করার আধুনিক প্রযুক্তিই হলো GA4 এবং গুগল ট্যাগ ম্যানেজার (GTM)।

নতুনদের জন্য কেন এটি বড় সুযোগ?
আইটি বিশেষজ্ঞরা জানান, গ্রাফিক ডিজাইন বা সাধারণ ডাটা এন্ট্রির মতো প্রথাগত কাজগুলোতে এখন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। সেই তুলনায় ওয়েব ট্র্যাকিং ও ডাটা অ্যানালিটিক্সের কাজগুলো কিছুটা প্রযুক্তিগত হওয়ায় এখানে দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের অভাব রয়েছে। ফলে নতুনরা যদি সঠিক গাইডলাইন মেনে এই কাজটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারেন, তবে গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসগুলোতে খুব দ্রুত নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নেওয়া সম্ভব।

আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত কাজ করা অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের মতে, শপিফাই বা ওয়ার্ডপ্রেসের মতো বড় বড় বিশ্বমানের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মালিকরা এখন ডাটা ট্র্যাকিং সেটআপের জন্য ফ্রিল্যান্সার ও এজেন্সির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছেন। দক্ষ ফ্রিল্যান্সাররা ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের এই সেবা দিয়ে ভালো মানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন, যা দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

তবে এই সেক্টরে সফল হতে হলে শর্টকাট উপায়ের পেছনে না ছুটে কাজটির খুঁটিনাটি খুব ভালোভাবে শেখার পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যেষ্ঠ পেশাজীবীরা। তারা বলছেন, মার্কেটপ্লেসের চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। তাই নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখতে পারলে এই আধুনিক ট্র্যাকিং স্কিলটি যেকোনো তরুণের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য একটি চমৎকার টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।

error: Content is protected !!