দেশের বাজারে চালের দামে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, খোলাবাজারে মাঝারি ও মোটা চালের দাম কেজিতে প্রায় ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
রাজধানীর খোলাবাজার ও বিভিন্ন জেলার পাইকারি বাজারে গত কয়েকদিনের ব্যবধানে মাঝারি ও মোটা চালের দাম কেজিতে প্রায় ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই প্রধান খাদ্যের দাম আকস্মিক বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তবে বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরবরাহ চেইনকে পুরোপুরি সচল এবং মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে দ্রুতই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
খুচরা ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ চেইনে সাময়িক ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি এবং স্থানীয় পর্যায়ে চালের সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় পাইকারি বাজারে চালের দাম বস্তাপ্রতি কিছুটা বেড়েছে। এর একটি স্বাভাবিক প্রভাব এসে পড়েছে খুচরা পর্যায়েও। তবে পাইকারি বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে এবং মিল পর্যায় থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে খুচরা বাজারেও দ্রুতই দাম স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে আসবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন।
ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বাজার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক রূপ দিতে সরকারের বাজার তদারকি সেল এবং নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সাথে আসন্ন উৎসবের সময়ে কৃত্রিম সংকট বা সরবরাহ চেইনে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়েও পাইকারি ও মিল পর্যায় সচল রাখার ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখা এবং নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমেই দ্রুত চালের মূল্য সাধারণের নাগালের মধ্যে আনা সম্ভব হবে।