নবীনগর উপজেলা— সাম্প্রতিক সময়ে নবীনগরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ব্যাপক অসুবিধা দেখা দিয়েছে। দিন-রাত নির্বিশেষে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার কারণে বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রায় প্রতি ঘণ্টায় একাধিকবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে টানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘুম ও বিশ্রামে প্রভাব ফেলছে।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সামনে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকলেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় তারা নিয়মিত পড়তে পারছে না। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রভাব পড়েছে—বিপণিবিতানে ক্রেতা কমে যাওয়া এবং ছোট শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ফ্রিল্যান্সার ও আইটি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাজেও বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং কম্পিউটার চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এছাড়া অতিরিক্ত গরমে কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।
একজন বাসিন্দা জানান, বিদ্যুতের নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় পরিকল্পনা করে কাজ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত বিল পরিশোধ করলেও সেবার ধারাবাহিকতা না থাকায় তারা হতাশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে অবস্থ