
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য (Free Trade) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। একই সাথে এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক বিশেষ সমঝোতা স্মারক সইয়ের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আজ শনিবার সকালে আয়োজিত এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
তিনি জানান, পররাষ্টমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীর এই সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ২৭ জন প্রতিনিধি মালয়েশিয়া সফরে যাবেন। এই সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের আশা করছে ঢাকা।
পররাষ্ট্রসচিব ব্রিফিংয়ে আরও জানান, মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শ্রমবাজারে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী ও শ্রমিকদের প্রবেশ সহজ করার জন্য ঢাকা বিশেষ কূটনৈতিক চেষ্টা চালাবে। তবে মালয়েশিয়া সরকারের নিজস্ব রিভিউ ও অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন শেষ হলেই কেবল এই বিষয়ে চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরের জন্য প্রথাগত বলয়ের বাইরে গিয়ে তৃতীয় একটি দেশকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন। এরপর ২৩ জুন তিনি কুয়ালালামপুর থেকেই সরাসরি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। চীন সফর শেষে আগামী ২৬ জুন তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। এই জোড়া সফর বাংলাদেশের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।