চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের নির্দিষ্ট সময়পর্বে বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হারে পতন দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কর্মী প্রেরণ কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন প্রচলিত শ্রমবাজারে কর্মী নিয়োগের গতি কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েতের মতো দেশগুলোতে চাহিদা হ্রাসের প্রভাব স্পষ্টভাবে পড়েছে।
এছাড়া ইউরোপের কিছু দেশ এবং এশিয়ার অন্যান্য শ্রমবাজারেও নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীরগতির হওয়ায় সামগ্রিক চিত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নতুন ভিসা নীতিমালা, নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাও এর পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, শ্রমবাজার বহুমুখীকরণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ জোরদার না হলে ভবিষ্যতে এ খাতে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং দ্বিপাক্ষিক শ্রমচুক্তি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মী প্রেরণের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।