জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানো হবে।
বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলতি মাসের বিক্রির ধারা বিবেচনায় ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ প্রায় ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। সংস্থার বিপণন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে মোট ৩ লাখ টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি, পাশাপাশি পেট্রোল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েলের উল্লেখযোগ্য ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে।
একদিনের হিসাবেও জ্বালানি ব্যবহারে উচ্চ প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার বেশি ছিল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবহন ও শিল্প খাতের চাহিদাই এর মূল কারণ।
গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছরের জ্বালানি বিক্রি বেড়েছে বলেও জানা গেছে, যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি নির্দেশ করে।
এর আগে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে। নতুন নির্ধারিত দামে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ চাপ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং ভোক্তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।