যেসব কারণে হজে দম আদায় করতে হয়

ধর্ম ডেস্ক | দেশ এডিশন:
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে


হজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ইহরাম বাঁধা থেকে শুরু করে হজের প্রতিটি আমল নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হয়। হজের কোনো ওয়াজিব আমল বাদ পড়লে বা ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কোনো কাজ সংঘটিত হলে ‘দম’ বা কুরবানি আদায় করতে হয়।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, হজের নির্দিষ্ট কিছু আমল সময়মতো ও সঠিকভাবে পালন করা আবশ্যক। এর কোনোটি বাদ পড়লে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পশু কুরবানি দিতে হয়। ধর্মীয় আলেমদের মতে, হজের শুদ্ধতা ও পরিপূর্ণতার জন্য এসব বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা জরুরি।

যেসব কারণে দম ওয়াজিব হতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে—সাফা-মারওয়ার সাঈ ছেড়ে দেওয়া, মিকাত অতিক্রমের আগে ইহরাম না বাঁধা, আরাফাতের ময়দান থেকে সূর্যাস্তের আগে বের হয়ে যাওয়া, মুজদালিফায় অবস্থান না করা এবং মিনায় নির্ধারিত রাতযাপন বাদ দেওয়া।

এছাড়া শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ সম্পন্ন না করা, তামাত্তু ও কিরান হাজিদের নির্ধারিত কুরবানি আদায় না করা, যথাসময়ে মাথার চুল মুণ্ডন বা ছোট না করা এবং বিদায়ী তাওয়াফ ছাড়া মক্কা ত্যাগ করলেও দম আদায় করতে হয়।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং প্রতিটি আমল সতর্কতার সঙ্গে পালন করা হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই হজযাত্রীদের উচিত প্রশিক্ষণ ও সঠিক জ্ঞান নিয়ে হজের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করা।

error: Content is protected !!