যশোরে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিকার সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে। জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা না থাকায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ের টিকা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে কয়েক ধরনের টিকার সরবরাহ বর্তমানে সীমিত। ফলে অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ফিরে আসছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং সরবরাহ পেলেই দ্রুত কেন্দ্রগুলোতে বিতরণ করা হবে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ে টিকা প্রদান শিশুদের সুস্থ বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম সচল রাখা প্রয়োজন। শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা গ্রহণ নিশ্চিত না হলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকার সংকট দেখা যাচ্ছে। এতে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান সূচি ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার বেসরকারিভাবে টিকা নিতে চাইলেও উচ্চ ব্যয়ের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
যশোরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত টিকা সরবরাহ নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। টিকা পৌঁছালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সব কেন্দ্রে বিতরণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম নিয়মিত রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।