আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সতী পশুর হাটে বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি। কুরবানির সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে হাটে পশু আমদানি ও বেচাকেনাও বাড়ছে।
সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা যায়, দেশি ও খামারভিত্তিক লালন-পালন করা বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে হাটের বিভিন্ন অংশ। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় এ পশুর হাটে স্থানীয়দের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকার ও ক্রেতারা আসছেন পশু কিনতে।
খামারি ও বিক্রেতারা জানান, এবার মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। তবে গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পশু লালন-পালনের ব্যয় বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারদরেও।
অন্যদিকে, অনেক ক্রেতার মতে, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি। তারপরও সাধ্য অনুযায়ী পছন্দের পশু কিনতে হাটজুড়ে ঘুরে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের।
হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে।
দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত হাটে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বেচাকেনার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।