পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকি। শেষ মুহূর্তে এসে জমে উঠেছে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কোরবানির পশুর হাটগুলো। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতিতে হাটজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
হাটে গরু, ছাগল ও ভেড়ার পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা গেছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ, দরদাম ও সামর্থ্য বিবেচনায় পশু কিনছেন। বিক্রেতারাও শেষ সময়ের বেচাকেনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এবারের হাটে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বড় আকারের গরুর বিক্রি প্রত্যাশানুযায়ী না হওয়ায় কিছুটা উদ্বেগে রয়েছেন খামারিরা। অনেক ক্রেতা জায়গা সংকট, খাবার ও পরিচর্যার ঝামেলা এড়াতে ঈদের আগের দিন পশু কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
হাটে আসা খামারি সাদিকুল বলেন, গো-খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় একটি গরু প্রস্তুত করতে অনেক খরচ হয়েছে। সে তুলনায় কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে ফাহিম নামের এক ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবে নজরুল ইসলাম নামের আরেক ক্রেতা বলেন, দরদাম যাই হোক, পছন্দের ভালো পশুই কোরবানির জন্য কিনতে চান তিনি।
রংপুর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বদরগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয়ভাবে গরু, ছাগল ও ভেড়াসহ প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তে ব্যাংকের প্রতিনিধি, পুলিশ সদস্য ও হাট কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।