নাটোরের গুরুদাসপুরে একটি মামলায় ৭ বছরের এক শিশুকে ২১ বছর বয়সী আসামি হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর আদালতপাড়াসহ স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে দায়ের করা ওই মামলায় শিশুটির প্রকৃত বয়স গোপন রেখে তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে এলে উপস্থিতদের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং বয়স বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম উদ্দীন পিকে বলেন, “শিশুদের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে আলাদা বিচারপ্রক্রিয়ার বিধান রয়েছে। একটি শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা আইনবিরোধী। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে শিশু আইনের আওতায় সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”
সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানান।